ফেইসবুকের দোআ

অ্যা… ফেইসবুকে লগ-ইন এবং লগ-আউট করিবার দোআ’র প্রয়োজনীয়তা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক ।

ফেইসবুকে প্রবেশ করিবার সময়, ‘বাম হাতের যেকোনো আংগুল দিয়া লগ-ইন বাটন চাপ দিয়া এই দোআ পড়া নিরাপদ… … … …

তদ্রুপ,
ফেইসবুক হইতে বাহির হইবার সময়, ‘ডান হাতের যেকোনো আংগুল দিয়া লগ-আউট বাটন চাপ দিয়া এই দোআ পড়া নিরাপদ… … … …

যেহেতু দোআ নাই । সেহেতু, আপাতত ফেইসবুকের কাছাকাছি আরো একটা জায়গা বাত্তুম । মানে, টয়লেটে ঢুকিবার এবং বাহির হইবার দোআ আশা করি ভাল ফল দিবে ! বাম হাত দিয়া প্রবেশ করা এবং ডান হাত দিয়া বাহির হওয়া যেন ভুল না হয় !

সুবিধা বঞ্চিত ওঁরা…

পৃথিবীর সবচেয়ে সুবিধা বঞ্চিত জন গোষ্ঠী বা কমিউনিটি হচ্ছে “নেশাখোর কমিউনিটি” । একমাত্র উঁনারাই সুবিধা থেকে তো বঞ্চিত বঞ্চিত’ই ! এমনকি কোন না কোনভাবে নিজেদের সুবিধা নিজেরা করে নিলেও দুই দিন পরেই সেই সুবিধাও তাঁদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ।

একমাত্র উঁনারাই যুগ যুগ ধরে নানান ( মানে অবশ্যই নানান । বহু বহু বহুত… ) ধরনের প্রতিকুলতার মাঝেও টিকে থেকে অদম্য উদ্যমের সহিত নিজেদের বুদ্ধিমত্তা খরচ করে নিজ নিজ নেশার চাহিদা পূরণ করে বা মিটিয়ে যাচ্ছেন ।

তবুও দেশে-দশে সমাজে-সুমাজে তাঁরা অবহেলিত, ধিকৃত এবং উক্ত আলোচনা হইতে বলা’ই যায় যে, ‘ওঁরা নির্যাতিত’…

ঠিক নাকি ঠিক ?

ঃ কি ! ঠিক বলছি নাকি সত্য কইছি ?
ঃ জী সত্য কইছেন…
ঃ কথাডা তাইলে ঠিক বলি নাই ?
ঃ অবশ্যই ঠিক বলছেন…
ঃ তারমানে সত্য কইনাই ?
ঃ ভুল হয়া গেছে ! মিথ্যা বলছি…


ঃ এইবার তুমি সত্যি বললা !

বিদ্যুৎ ভূত 👻

ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল পরিষোধ করতে করতে ফকির হয়া, আমরা জনগণরা’ই একসময় কর্তৃপক্ষের হাতে-পায়ে ধইরা বলতে বাধ্য হব যে, করেন করেন আজকেই সুন্দরবনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেন, বেশি বেশি । অই অইযে… অইখানের জংগল’টা কেন শুধু শুধু পইরা আছে ? অইখানেও করেন না কেন উৎপাদন ! আমার দাদার একটা গেন্ডারির জংগল আছে, অইটার প্রয়োজন পরলে জাস্ট একবার শুধু বলবেন । তবুও স্যার আগামী মাসের বিলটা যেন স্যার কম আসে । আমার আপণ দাদার নাতী, আমি নিজে আগে বাইচা নেই ! আমার নিজের আপকামিং আপণ নাতীর মায়রে বাপ ।।

রাজী করানের বুদ্ধিটা ভাল সার । বুদ্ধিটা ধরতে পারছি আমি ( আমরা ) । কিন্তু কমুনা, কমুনা স্যার… আপনে… সরি সরি ‘আমি’ অবশ্যই আপনের গোলাম । ( এইখানে কানে ধরার একটা ইমোজি লাগবো, নাই কেন ?  নাকি আছে ?  )

কিন্তু ‘আমার মতে’ আমি ছোড থাকতে যে একটু পর পরে লোডশেডিং দিতেন আমগো পড়ার টাইমে । তা’ই দেন । কত কিউট ছিলেন আপনেরা সকল সরকার সাবেরা তখন ! কত্ত মজার ছিল স্যার পড়ার সময় এক একটা কারেন্ট যাওয়া ! লোডশেডিংয়ের দিন গুলা মিস’ই করি আমরা । সত্যি সত্যি কইতাছি স্যার ! আমার তো এই জেনারেশনের পিচ্চি-কুচ্চি পোলাপাইন পড়ার সময় লোডশেডিং পায়না দেইখা তাদের জন্য মায়া’ই লাগে স্যার !

ওগো স্যার ! লোডশেডিংয়ের সময় দুষ্টু-দুষ্টু শয়তান ভূত দেখা অনেক ভাল ছিল । দিনের ফকফকা আলোয় এখন পাওয়া বি-ই-ই-ই-শা-আ-আ-ল বড় খুব ভদ্র ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে… 

চাঁদও যদি মামা হয়, সূর্যিও যদি মামা হয় তাইলে কেমনে কি? একটার তো চাচা/কাকা হওয়া লাগবো… ! আর মামা-চাচা কেন ? মামী-চাচীও তো হইতে পারে, ম্যান…! অইযে, সূর্যি-চাচী উঠতাছে দেখো দেখো… !

বৃদ্ধ গালিরা…

গালি জিনিসটা গানের মতই স্যাটিস্ফাইং ব্যাপার । ভদ্র সমাজের ইংলিশ গালির পেছনে বাংলা গালির ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়নাই । বাপ – দাদা – পরদাদা – তাঁর পরেরো অনেক অনেক দাদা, সবাই ই এই জিনিস নিজেরা দিছে বা আশে পাশে শুনছে । নিজে না দিলেও মনে মনে কেউরে নিয়া গালি ভাবছে । কিন্তু অইযে ! দিন শেষে, গালি পালক সন্তানের মতই কোন না কোন সময় আদরের অভাবে পালায় গেছে। তখন আসছে নতুনদের কাছ থেকে নতুন গালি !

আমরা বাংগালী’রা আবার আমাদের অতীত অস্বীকার কইরা যাইতে তো ভালবাসি বাসি’ই ! এরপরে হুদ্দাই অইটা ঘৃণা করতেও কেন যেন ভালবাসি !

আজ কত কত বৃদ্ধ গালিরা আমাদের আশেপাশে বেওয়ারিশ হিসাবে মনে কষ্ট নিয়া ঘুইরা বেড়াইতাছে…

ও বিঃ দ্রঃ হইল, আমিও ভালভাসি, “আমি আমার পালক বন্ধু-বান্ধবদের গালিগালাজ করতে ভালবাসি !

.
.
.

  • #BONGCHiNTON

নাই হওয়া

মৃত্যু মানে কি চইলা যাওয়া, নাকি ‘নাই হয়া থাকা’ ? নাই হয়া থাকার মদ্ধে কিন্তু আলাদা মজা !! আস্তে আস্তে কেউ আর মনে রাখেনা, তবে কেউ ভুলতেও পারেনা… 😆

শুধু এইবার ‘নাই হইলে” আর আশা যায় না ।।

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস

সরকার থেকে আজকে, ‘আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস’ এর আহবানের মেসেজ পাইলাম ফোনে । এরপর থেকা মাদক জিনিসটা আজকে ‘জীবনের প্রথম আমার একটু ট্রাই কইরা দেখতে ইচ্ছা কত্তাছে ।

নাহ ! ছিঃ ছিঃ আজকে ওই বিশেষ দিনে অন্তত আমরা নেশা-টেশা না করি ভাইয়েরা ! ওহো সরি ! মেয়েরা আবার বলবে তাদের কেন বাদ দিলাম । নেশাখোর ভাই-বইনেরা “আজকে নেশা না করি”

আমার এই কথা শুইনা একজন নেশাখোর বললঃ ” হুহ ‘আজকে নেশা না করি ! আপনে না করলে না করেন ! আমারে বলেন কেন… ? “

বুলি’ইং ( Bullying )

বুলি’ইং ( Bullying ) একটি ভয়াবহ অপরাধ ।

অথচ , সরকার সবচেয়ে বড় বুলি ( Bully ) । শিক্ষক – শিক্ষিকারা সবচেয়ে বড় বুলি । ধর্ম সবচেয়ে বড় বুলি । এরা প্রত্যেকেই মানুষকে নির্দিষ্ট একটা ছাচে বা নিয়মের মদ্ধে থাকার কথা বলে । আর তাদের মতন না হইলে, তাদের বলা নিয়ম না মানলেই অন্য রকম মানুষটাকে ( আসলে নিজের মতন থাকতে চাওয়া মানুষটাকে ) শাস্তি – ভয়ভীতি অথবা নাজেহাল অই তারা’ই করে ।

ভাই, আমি বাংলাদেশের কথা বলি নাই । পুরা দুনিয়ার কথা বলছি । সো NO চেতাচেতি ! আর সরকার – শিক্ষক – ধর্ম… এদের সবাইকে’ই আমি সম্মান করি , মানি ( অবশ্যই আমার যা মানা উচিত মনে হয়, তা’ই মানি 🤪 ) । কিন্তু এদের সব জায়গায়’ই নিয়ম’টা অনেক ঠিকঠাক করা দরকার… মানে ইয়ে, তা’ই বলতে চাইছি আরকি ।।

সম্পূর্ণ রংগিন

তখন আমাদের একটা সাদা-কালো টিভি ছিল। বিটিভি’তে ( বিটিভি’ই তো ছিল, নাকি ইটিভি? 🤔 ) একটা নাটক সম্প্রচার হওয়ার বিজ্ঞাপন দিতাছিল । নাটকের নাম “সম্পূর্ণ রংগিন নাটক” এতটা বাজে প্রচার হইব ।

আমি বুঝি নাই, ভাবছিলাম নাটক এইটা সাদা-কালো টিভিতেও রংগিন’ই দেখা যাইব। অনেক অপেক্ষার পর নির্দিষ্ট টাইমে টিভি ছাইরা মন অল্প হইলেও ভাইংগা গেছিল…

সাদা-কালো টিভিটা ছিল আমাগো প্রথম টিভি। আর আসলে অইটা আমগোও ছিলনা । আমাদের মিল এর দাড়োয়ান নাকি কে যেন, চুরি কইরা ভাইগা গেছিল কিন্তু টিভি রাইখা গেছিল সে । অনেকদিন পরেও টিভির মালিক না ফেরাতে বাসায় নিয়া আসা হইছিল উহা রাইখা ভাইগা যাওয়া ব্যক্তির ঘর থেকা ।