Kick The Bucket

… ‘YOU,
Pretending Happy
Beautiful Creation, Thing !

When i did an adoration on it. i simply loved it…
When i made an wow on it, I meant,
Wooooo🤪oooooW man !! i loved it… ! 😲👏

YOU just gave me
an AmaTheFreaDelicoussssssKingZing thing
to feel —
i hope not for this ( ‘feel’ing )
frightening unpleasant scary thing
— or to be seen
( Numb, Just watching ) Not seeking after it either,
Yet it has less Ama…….That huge zing thing…
( “i hope” it is carrying.
So would go for it… !! )

What’s more, ffffffff !!
i think about YOU !
i believe, I just have to keep thinking
pleasant about YOU for the rest of “Your Life”… :p

i am NOT dying.
“Before YOU” 😅

You actually are so selfish that
won’t be able to fortitude
the feeling thing !
Me dying…

See !
We just discovered that
YOU likewise have that
fffff’feeling’ thing…
YOU still have no
guts knowing !

You are just pretending
Hiding…
Kept it sacred
for yourself-ished box,
You have been…
developing !
Still is enriching…

Oi You !
Pretending Happy
Beautiful Creation, Thing !
Keep Living…. 🙃

এরচেয়ে বরং…

আমি বরং,
মানুষের কারণে না মরে
রোগের হাতেই না হয় মরি ।।

মানুষের প্রতি অভিমাণ,
দরকার নেই আমার !
করলে যে, একটু বেশিই
আমি করে ফেলি… !

প্রতিযোগিতায়…

শুনো, অনেক অনেক রাত আগের… বা পরের কথা ।
একবার কি জানি কি হল ! পৃথিবীর সব আয়না’রা না মানুষের প্রতিবিম্ব দেখানো থামিয়ে দিল ! কিছুদিন পরে আয়ানাদের আরাম দেখে সব ক্যামেরাগুলোও না মানুষের ছবি তোলা বা দেখানো থেকে নিজেদের ছুটি ঘোষণা করল ! তারা বলল, “অনেক তো তোমরা দেখলে, এখন থেকে আমরা বসে বসে তোমাদের দেখবো”

মানুষগুলো তখন পরে যায় দারুন বিপদে ! তাদের শান্তি হারিয়ে যেতে লাগে। বাধ্য হয়েই মানুষ’দেরকে, নিজেকে কেমন লাগছে তা জানতে আরেকজন মানুষের সাহায্য নেওয়ার অভ্যাসই শুরু করতে হয় ।

ভালই চলছিল। কিন্তু কিছুদিন পর, মানুষগুলো আর কেউ-কাউকে বিশ্বাস করতে পারলোনা । কারণ, আজকে তাকে অসুন্দর লাগছে বলায় কালকে সে আরেকজনকে প্রতিশোধ নিতে অসুন্দর লাগছে বলে।আস্তে আস্তে না! কারো মনে, কোন রাজ্যেই শান্তি থাকে না !

ধিরে ধিরে মানুষগুলো নানান দলে বিভক্ত হতে থাকলো। একদলের মানুষ সবাই সবাইকে সুন্দর এবং অন্যদলের সবাইকে অসুন্দর বলে ডাকতে থাকলো। অসুন্দর-অসুন্দর বলে একে অন্যকে ভেংচি কাটা শুরু করলো, গালি দিতে লাগলো। এভাবে তারা দলেরা দলেরা নিজেরা নিজেদের কাছে সুন্দর আর অন্য দলের কাছে অসুন্দর হতে থাকলো।

এভাবে কি থাকা যায় ? মানুষগুলোও থাকতে পারলো না। শুরু হল যুদ্ধ, ভয়ানক যুদ্ধ । যুদ্ধে হেরে যাওয়া দলকে মানতে হল, জিতে যাওয়া দলের মানুষগুলোই আসলে আসল সুন্দর । আর হেরে যাওয়া দলকে কি করতে হত? তারা অসুন্দর বলে তাদের আর পৃথিবীতে থাকার অধিকার নেই স্বীকার করে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হত (‘পৃথিবী ত্যাগ করা হচ্ছে ভয়ানক ব্যাপার, তুমি আরেকটু বড় হলে তা জানতে পারবে’ ) এভাবে সুন্দর-অসুন্দর প্রতিযোগিতার যুদ্ধ মানুষে-মানুষে চলতে থাকলো, রাজ্যে রাজ্যে,অনেক অনেক রাত…

এভাবে পৃথিবিতে আস্তে আস্তে শুধু সুন্দর মানুষগুলোই বাস করতে থাকলো বা তুমি বলতে পারো, যুদ্ধ জিতে বাস করার যোগ্যতা অর্জন করে নিল। তারা সুখে শান্তিতেই বাস করতে লাগলো। কিন্তু জানো? অল্প কিছু রাতই ছিল সেই সুখ।

কিছুদিন পরেই না ! তারা খেয়াল করল, তাদের মনে শান্তি নেই হয়ে যেতে শুরু করছে ! আশেপাশের সবাই-ই সুন্দর বলে সে নিজেকে *মনে-মনে অন্যের থেকে সুন্দর ভেবে আগের মত শান্তি আর পাচ্ছিল না, তাদের মনে-মনে সুন্দর হওয়ার তৃপ্তি উধাও ! টের পেতে থাকে, যুদ্ধ জয়ী পৃথিবীতে থাকার অধিকার করে নেওয়া মানুষেরা !

তখনই ! মানুষের যে মনও থাকে, মনও আছে, মানুষগুলো তা আবিষ্কার করল । এবার কার মন কত বড় তা প্রমাণ করার সেই ‘যুগ শুরু হল এবং আগের মতই প্রতিযোগিতাও আরম্ব হয়ে গেল ।

এবার মানুষগুলো তার মন’ই বড় তা বুঝানোর জন্য অন্যকে ‘বেশি সুন্দর’ বলা শুরু করতে থাকলো। কিন্তু আবার না শুরু হল দ্বন্দ্ব! কেউ নিজেকে বেশি সুন্দর স্বীকার করতে চাইলনা। নিজের মন’কেই বড় করে দেখাতে অন্যকে সে বারবার তুমি বেশি সুন্দর, তুমিই বেশি সুন্দর বলে ডাকতো থাকলো।

আর কত সহ্য করা যায় বল ! মানুষগুলো তখন ‘বেশি সুন্দর’ কথাটি নিজেকে কেউ বললেই রেগে যেতে লাগলো ! সেই আগের ‘অসুন্দর’ বলে ভেংচি কাটার মত এখন ‘বেশি সুন্দর’ বললেই গালির মত ভেংচির মত আক্রমণ হিসেবে লাগতে লাগলো মানুষদের কাছে ।

কারণ, মনকে যে চাইলেই ভাল কিছু সুন্দর কিছু ভাবানো যায়, মানুষরা তা তখনও আবিষ্কার করতে শিখেনি ! আবার মানুষের রাজ্যে যুদ্ধ লাগার অবস্থা শুরু হওয়ার ব্যবস্থার মত যেইনা শুরু হতে নিল !

এরপরই জানো ! দুষ্টু আয়না আর ক্যামেরাগুলো হঠাৎ কি করল? তারা তাদের ছুটির ইস্তফা ঘোষণা করে আবার মানুষকে তাদের চেহারা দেখানো শুরু করলো।

“আসলে আমার মনে হয়, আয়না আর ক্যামেরাগুলো যুদ্ধ লেগে-লেগে মানুষ শূন্য রাজ্যে তাদের মজা দেখা বন্ধ হয়ে যাবে, বুঝতে পেরেছিল হয়তো !”

মানুষরা তখন তাদের ‘মনের কথা ভুলে গিয়ে, আবার আয়না’য় বা ক্যামেরায় তাদের চেহারা দেখার তৃপ্তি পেয়ে এবং তা নিয়েই ব্যস্ত হতে গেল । এভাবেই তারা ভালই তো থাকতে লাগলো ! তুমি কি বল ?

আর, আমি আর তুমি হচ্ছি সেই ভুলে যাওয়া দলের পৃথিবীতে থাকার অধীকার পাওয়া ‘সুন্দর মানুষ’গুলো।
যাও এবার দাত ব্রাশ করে আয়না দেখে, নিজেকে নিজের মত সুন্দর ভেবে, ঘুমিয়ে পর…

‘মন’কে আরো ভাল ভাবে আবিষ্কার, মন’কে তোমার নিজের ইচ্ছার মত ভাল ভাল মন’ওয়ালা মানুষের মত চিন্তা করার আবিষ্কারের গল্প তোমাকে আরেকদিন শুনাবো… আমি নিজেই আগে জেনে নেই…

আগুন বাদল

উডান থেকা ঘাটিলা অনেক দূর, বাইর হইতে লাগছিলাম ।  
ছনছা বায়াও ধুমধুমায়া আগুনের মত বাদল !! আমার গায়ে পরে না । কইলজায় পরতাছে ! 

মা’য় কয় জাইছনা বাজান। কি করস !  
ওরে মা যাইতাছিনা, মনে কর আইতাছি ।কোচর কইরা মুড়ি দাও, না না চিড়া দিও ভিজলেও ক্ষতি নাই। বাদাম আছে ঘরে ? 

মা, একজনরে একটা কথা কইছিলাম। তোমারে কেমনে কই ! 
সাড়া পাই নাই। সাই সাই কইরা হেয় হইছিলাম । শরম করে নাই। করছে পীড়া। ভীষণরে মা ! 

ঘরে থাকবার মন চাইতাছেনা। আমারে মাফ কর, তুমিই কর 
আর কেউ করবোনা। 

আচ্ছা মা তুমি তো কইছিলা, মন থেকা যা চাইবি তা পাইবি । 
কিন্তু কার কাছে চামু মা’গো ? তুমি কি পাইছিলা ? 
কার কাছে ? ভগবান, আল্লাহ, নাকি ঈশ্বর ? 

এই দিগদারি তুমি বুঝবানা, আমিই শালায় বুঝতাছিনা ! 
হুশ পাইনা কি করা উচিত ! মা তুমি তো জানো কিছু না বুঝলেই চড়াই পাখির লগে যায়া কথা 
কই। কিন্তু এই বিয়াইন রাইতে তাগো পামু কই ? 

নিয়ারা-আকাই (অনুরোধ) তারে অনেক করছি, বুইঝাও বুঝে নাই।তার আছে বিশাল কিছু, যার কাছে আমি কিসসু কিসসুই নারে মা ! 

অরঘুমা রাইত গুলা শেষই হইতাছেনারে মা।  
দেও তো বাবার মাদুর টা দেও, দেও মা দোহাই লাগে । 
জানি তুমি অইটা কাছ ছাড়া করনা । তুবও দেওনা মা, দেওনা ! 

হালট ধইরা হাটতে হাটতে ক্লান্ত লাগলে অইহানে ঘুমমমম দিমুনে 🙃 ইশশ বাবার মতই যদি শেষ জিড়াইতে পারতাম মাদুরেই ! 

গরবাদ কইরা ফালাইছিরে মা ! সাইমজা থাইকো তোমরা সবাই।ভাইজান, ছোড, আর বইন্ডারেও কইয়ো। গরবাদ যেন না করে। গরবাদে আছে কুত্তা জালা গো…  

ধুমা ধুমা লাগতাছেরে মা, এর মদ্ধেই “উড়াল পঙ্খি”ডারে দেখতাছি ! মন কয়, যাইগা হের কাছে এহনই, কিন্তু আবার হেয় হমু যে ! 
ওরেও কয়ো সাইমজা সুইমজা থাকতে।তুমি তো ছিনোই তারে।ওর লগে দেহা হইলে তুমি যেমনে আমার কপালে আদর দিয়া দেও,এমনে একটু দিও মা, দিও হ্যা ? 🙂 

মা শরমের কথা। কিন্তু তোমারে তো কত কিছুই কই।অদৃশ্য টীপ, অদৃশ্য ! নাগো মা হেহে বাদ দেই এই কথা… 😊 

আগুন বাদল গায়ে পরতাছে যে ! কইলজা খায়া হালাইতেছেরে মা ! যাইগা ।অইযে চাঁদের আলো রে মা ! চাঁদের আলো ! এই ঘন বাদলেও দেহা যায় মা ! দেহো দেহো দেহো…কিন্তু আমারই তো না ওই দৈব চাঁদের আলো….

ও আমার উড়াল পঙ্খী রে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা 
আমি থাকব মাটির ঘরে, আমার চোক্ষে বৃষ্টি পরে 
তোর হইব মেঘের উপরে বাসা…. 

মনে আছে ?

কিন্তু অদ্ভুত ! মনে করছিলাম, আরে ! আপন চিনছি তোরে !  
দেখসিলাম তোমার ঘুমমম, হাসি, চোখ আর ছলছল, 
মৃদু ছোঁয়া দিলেই হয়তো তা পরতো টপটপ । 

একটা নদী, 
মনে আছে ? অইযে নামহীন ত্রিভূজাকৃতি নদী’টা ? 
এখনো নাম দেওয়া হয়নাই “যে”…. হবে ! কবে ? 

যাইহোক, শুনো, শুনো না ! শুনো, 
তোর উষ্ণ কপালে অদৃশ্য টিপ । 🙂 
তখন না ! শুধু আমি না, সমগ্র জাহানই হইছিল 
শান্ত, নিবিড় ! সার্থক আমি অতিমানবের একারই এক দীপ !! 

আসসা যাইগা ।।।।