চাঁদ-টাঁদ…

এইযেহ !
নেও ধর, তোমার চাঁদ
পাইরা নিয়া আইসা পরছি ।।
কই… কই… ?
ধর-ধর-ধর হেব্বি ভারি… তাত্তারি !
এখন যাও, একটু চাঁদ-টাঁদ ভাইজা খাও…

.
.
.

মিছা কইছি… 🤪 চাঁদ এখন এইযে এই ফেইসবুক পেইজেই কিনতে পাওয়া যায়ঃ https://www.facebook.com/techworkshopbd/

( Tech Workshop BD )

শূন্য খালি…

মাথার ভেতরে আমার বিশাল
একটা আকাশ আছে ।
আমি’ই তা খুলতে পারেনা । 
মনের ভেতর গভীর সাগর ।
আমি এখন আর স্বীকার’ই করেনা !
কালো কলিজা’টা বিরাট চুম্বক । 
মাস্টার ওস্তাদজীরা কোনদিন
নিজের দিকে টানতে শেখায় না । 

আকাশ খোলা হেলান দেওয়া,
গভীর জলে ডুইব্বা যাওয়া,
মনে মনে আকর্ষণে !  লাগবেনা তার,
বরং, আজ আমি যা পারি তা
গিলতে গিলতে সব খাওয়া ।। 
মাটিতে-মাটিতে যুদ্ধ করার এবং জেতার
বুদ্ধি করছি…. মাঝে মাঝে এ দ্বন্দ্ব মোছার
ডাস্টার খোঁজার ভানে, আর না পাওয়া !

নিজেই নিজের হজম শেষে । 
শূণ্য খালি সবই হাওয়া… 

ডানপক্ষ = বামপক্ষ

ছোটবেলার,
‘আমরা জানি’ আর ‘মনে করি’

কতটুকু জানতাম ? মনে কতটুকুই করতাম ?
আসলটাই জানতাম ? মানে,
কিভাবেই বা জেনেছিলাম ?
জানিয়েছিল যারা, নয় কেন তারা !
আমরা’ই কেন প্রমাণ করতাম ?
ডানপক্ষ = বামপক্ষ করার, যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা ।
আঙ্গুল ধরে, মনোযোগের সাথে শিখতাম !

এই জানায় জানা-জানি… বছরের শেষ ।
হিসাব-হিসাবে কষা-কষি… আর কয়েক
দশক… চলছে বৈকি ! পাশ নাম্বার পাইছি !
কত্ত মজা ! হাসা-হাসি…

আহারে জীবন… আহার মাটির ।।
এখনো’তো খুব্ব বাকি…
বুড়া-বুড়ির ফোকলা দাঁত । আর…
মুচকি হাসি… !

এখন, আমরা কেমন জানি ?
আর কি, কি কি মনে করি ?
আবারো, ‘প্রমাণ’ করতে… হবে নাকি ?
পাশ নাম্বার ? ছিল কততে জানি ?

বামপক্ষ আর ডানপক্ষ, সমানে-সমান হল,
সবাই তো খুব্ব জানি-পারি ।
সচেতনে জানোয়ার হইতে’ই হবে…
যেভাবেই হোক ! এই হওয়ায়, যেন না হারি !

তো, সমান ওদের, মিলন করতে পারছো নাকি ?
এখন দেখি ! বাব্বাহ ওরা-ওরাই… পারদর্শি !
সমান সমান চিহ্ন-চিহ্নে মুখ, কালা-কালি ।
ভাই-বেরাদার আলাদা লাঠি, বিয়োগ-বিবাগী…
বামে-ডানে-ডানে-বামে, যুদ্ধে-যুদ্ধে রক্তা-রক্তি ।।

হেহেহে, খাইছেরে ! ঘুমাও, তুমি… ঘুমাও !!
আমি ? বাইচ্চা যামু ।। যদি, যাইগা আমি…

আম্পান

এই বাতাস শইলে আরাম ঠান্ডা পরশ দেয়নাতো, বরং মনে ভয়ংকর শীতল কাপুনি দেয়রে ! ওহে… ! সকল কিছুর… সৃষ্টিকর্তা… !

যারা আসল বিপদে আছে, কমুক তাদের বিপদ কমুক ।।

‘সুন্দরবনের মর্ম আমাদের মহান ( ! ) জ্ঞানের অধিকারী, প্রচুর জানা, জানোয়ার জান্তা’গুলা, জ্ঞান পকেটে ভরার ভয়াল পরিনাম একটু বুঝুক । সময় থাকতে থাকতে’ই… বুঝুক !

সৃষ্টির সেরা জীব নামক প্রাণী’কে সৃষ্টিকর্তা তার’ই দেওয়া ঘুমন্ত মগজটা’কে জাগ্রত করুক ।।

.
.

সজাগ হোক চিন্তা সবার,
নিদ্রা করুক মনের
এতদিন জেগে থাকা,
খুব’ই ক্লান্ত এখন । এক
একটা সুপ্ত জানোয়ার ।।

‘আমার’-তোর-তোমার-আপনার-সব্বার…

ভালবাসা ছড়াক, ঘৃণা নয়…

আপনার ধর্ম কতটা সুন্দর জীবনের কথা বলে । কতটা মানুষের ভাল করার কথা বলে । ধর্ম’টা সেইভাবেই পালন করে অন্য ধর্মের মানুষকে দেখিয়ে দেন । আপনাকে দেখে যেন অন্যে ধর্মের মানুষ আপনার ধর্ম সম্বন্ধে আগ্রহী হয় । জানতে চায় ।

আপনাকে দেখে যেন ভাল লাগে অন্য ধর্মের মানুষের । আপনাকে জানতে চাইলে অবশ্যই আপনার সাথে বন্ধুত্ব করা দরকার । তারমানে দুইজনই বন্ধু হয়ে গেলেন ! এইবার আদান-প্রদান করুন ধর্মের ভাল দিক। বন্ধু না হয়ে কোনদিন’ই তা সম্ভব না ।

চিৎকার করে – রাগ দেখিয়ে – ভয় দেখিয়ে এমনকি অনুরোধ করেও আপনি আপনার ধর্মের প্রতি আগ্রহি করতে পারবেন না কেউকে । আপনার ধর্মের শ্রেষ্ঠতা প্রকাশ করুন ভালবাসা দিয়ে, ঘৃণা দিয়ে নয় ।

চিৎকার করে অন্যের ধর্মের নামে বাজে কথা বা ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করুন । অন্য ধর্ম নিয়ে যে কোন বাজে কথা আস্তে আস্তে বা মনে মনেই বলা থেকেই নিজেকে দূরে রাখুন । একটু সৃষ্টিকর্তার দেওয়া চিন্তাশক্তি কাজে লাগিয়ে দেখুন । আপনার নিজের ধর্মের নামে বাজে কথা ছড়ানো লোক’কে বা ধর্ম’কে আপনার নিজেরও ভয় লাগার কথা । ঘৃণা করার কথা !

মানুষে-মানুষে যুদ্ধ আপনার সৃষ্টিকর্তা দেখতে চায় ? নাকি মানুষে-মানুষে বন্ধুত্ব ? নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন… 🙂

চুপ বেয়াদব !

ভুল ধইরা দিলেই “বেয়াদব” বইলা আখ্যা দিয়া দিতে কত যে আরাম লাগে !

আজকে সরকারের ভুল ধইরা দিলে সরকার দেশদ্রোহী বইলা কারাগারে ভরে । সরকার এবং তার নিযুক্ত নেতা-কর্মীরাও তো আপনের আমার মত মন মানসিকতা নিয়াই বড় হইছে । আমাকে তাই এইগুলা অবাক করেনা । অবাক করে আমার যুগের বা জেনারেশনের মানুষ’গুলারেও একই চিন্তা-ভাবনায় বড় হইতে দেখলে… সাথে ভয়ও লাগে !!

কিসের সাথে কিসের তুলনা করলাম ? হাহাহা ! ভাইবা দেখেন ! ছোট পদে যে আছে, সে তার থেকা উচু আসনে বসা স্যার-বসকে কিছু বলতে পারেনা ! অন্যায় ধরায়া দিতে পারেনা, ‘বেয়াদব হয়া যাবে বইলাই । একদিন অই ছোট পদের উনিও বড় পদে বসতে বসতে আস্তে কইরা অই বস-স্যারটা’ই হয়া উঠেন !

আসসালামু আলাইকুম বস-স্যার… যাইগা…

বেশি কথা বলা যাবেনা !

‘প্রচলিত ধর্ম নিয়া কথা বললেই। সমালোচনা করলেই আল্লাহ বা নবী রাসুলের সমালোচনা করা না । অথবা হুজুর বা আলেমদের সমালোচনা করা না । হুজুর বা আলেম’রা অবশ্যই সমালোচনার উর্ধেও না ।

সরকার নিয়া কথা বললেই শেখ হাসিনা ভালানা । ও, শেখ হাসিনা তো প্রধানমন্ত্রী সারা জীবনের জন্য না । ধরেন, খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী তখন সরকারের সমালোচনা মানেই খালেদা জিয়া ভালা না । তা না’রে ভাই । তা না ! শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া, তারাও সমালোচনার উর্ধে না ।

( সমালোচোনার উর্ধে না মানে হচ্ছে । তাদের যে সমালোচনা করা যাবেনা, তা না । সমালোচনা করা যাবে সবাইকে । ভুল ধরা যাবে সবার )

ধর্ম আর সরকার এইসবই, এই দুই জিনিসের সমন্বয়ে পুরা পৃথিবী চলে । ছোট বেলা থেকাই আমরা এই দুইয়ের মিশ্রণেই সমাজ দেইখা আসছি । সমাজ শিখা আসছি । এখন কথা হইল এই সমাজ বানানের গুরু দায়িত্ত যে সব মানুষ’গুলা কইরা থাকে, তারা বেশির ভাগই নৈতিকতার “নৈ” এর মূল্যও দেয়না । এর ফলাফল হয় আস্তে আস্তে একটা বিশ্রী চিন্তা-ভাবনা সমৃদ্ধ সমাজ ।

কিছু খুব শক্তিশালি রক্ত গরম মানুষের আবার খুব আবেগ। চেইতা দেখায়া দিলেই মনে হইতাছে যেন খুব সওয়াব/পূন্য পায়া গেল ! বা খুব সরকারের প্রিয় আদমি হয়া গেল ! এদের কারণেই দায়িত্ত পাওয়া অইসব জানোয়ারেরা তাদের বানানো সরকার এবং তাদের বানানো ধর্ম বজায় রাখার সুযোগ পায়া যাচ্ছে দিনের পর দিন । বছরের পর বছর । হাজার লক্ষ কোটি বছর।

শুনেন, ভাল কইরা বলতেছি ” সরকার রক্ষা করা আর ধর্ম রক্ষা করা এই মানুষ’রা সবাই খারাপ আমি বলতেছিনা। প্রচুর ভাল মানুষ আছে । যারা আসলেই মানুষের ভাল চায়। জী, সকল মানব জাতির ভাল চায় । আছে, আছে এমন মানুষ।”

কিন্তু ভাই, খারাপ মানুষের প্রচুরতার পরিমাণ’টা অইখানে এত বেশি যে ! ভালদের ভ্যালু-লেস মানে মূল্যহীন হয়া থাকতে হয় । দোষ সেই মূল্যহিন’দের তো আছেই । এই দোষ আপনের আর আমারও খুব বেশি আছে । আমার আল্লাহ বা আপনে অন্য ধর্মের হইলে আপনের শেখা সম্বোধন ঈশ্বর বা ভগবান ইত্যাদি ইত্যাদি আপনের নিজেরেও বুদ্ধি দিছে, চিন্তার ক্ষমতা দিছে । আপনে সেই বুদ্ধিতে চলা ভুইলা গেছেন। আপনে একটা ভেজিটেবল অথবা চেয়ার – টেবিল – ইট- বালুর মতই জড় হয়া গেছেন ।

খেয়াল কইরা দেইখেন ধর্ম – সরকার দুইজনই দেখায় তাদের মধ্যে ভাব নাই । কিন্তু দিন শেষে দেখবেন দুইজনই দুইজনরে খুব খুশি খুশি রাইখাই ঘুমাইতে যাইতাছে । দুইজনই আপনেরে অনেক অনেক কিছু শেখাইব। বুঝাইবো, খুব শিক্ষিত বানায় ফেলছে আপনেরে । আসলে তাদের বানাইন্যা শিক্ষায় শিক্ষিত মুর্খ এখন একটা আপনে । আপনে মুখ খুলবেন কি ! তাদের বলা মিথ্যা কথা ধরবেন কি ! আপনে জানেন’ই না যে, এইসব আপনে করতে পারেন ! হাহ হা !

“এ ! বেশি কথা বলা যাবেনা ! এত প্রশ্ন করা যাবেনা !” আসল প্রশ্নটা আইসা পরতে পারে । বেশি প্রশ্ন করলেই ভুল ধরলেই শাস্তি । সরকার এই জিনিসটা এই কনসেপ্ট টা কোথা থেকে পাইছে, কে দিল চালাকি’টা ? বলেন তো দেখি … !

বেশ করে ফেলেছি…

হেহ ! বিজ্ঞানি’রা আজকে বাইর করছে । আর এইটাতো কুরআন শরীফে আগে থেকাই ছিল । বলতে যে কত ভাল লাগে আমার !

কুরআন শরীফে আল্লাহ্‌য় বলছে । এইখানে আমার মহত্ত’টা কই ? আমি নিজে আল্লাহর কথা পইড়া কি করছি ? মানুষের কল্যাণে কি করতে পারছি ? অথচ কেউ ভাল কিছু করার চেষ্টা করতাছে আর আমি এইখানে এখন “হেহ আমগো কুরআন” বইলা ক্রেডিট নিয়া ফেলাইলাম । হাস্যকর !

আমি কিন্তু পড়ছি কুরআন । শুধু মনে রাখছি “মাইয়া মানুষ – মাইয়া মানুষের মত” থাকতে হইব, পর্দা ছাড়া কেন চলব ?” এইসব খুব মজা লাগে আমার। মুরগির মত মস্তিষ্ক বানায়া রাখছি নিজের মগজরে । পোলাদের পর্দার কথা আমার মনেই নাই ! আমার নিজের জানোয়ার মন ঠিক থাকলে যে দুনিয়াতে শান্তি বিরাজ করে তা আমি আবার এত বোঝার চেষ্টা করুম কেন ?

গুলি বানানো বন্ধ হয়া গেলে পিস্তলের আর প্রয়োজন নাই । তা দিয়া আর মানুষ মরবো না । মাথায় ঢোকার কথা না এইসব আমার… আল্লাহ হাফেজ…

একজন মানুষ প্রচলিত ধর্মের অনেক কিছুই মানে না । বিজ্ঞান যা কয় তার অনেক কিছুই মানে না । তার আল্লাহ তারে মগজ/ব্রেইন বা চিন্তা-বুদ্ধি দিছে । রিদয়’টা দিছে । ভাল-খারাপ নির্ণয় করতে দিছে এইগুলা, সে এইটা পুরাপুরি মানে ।।