শূন্য খালি…

মাথার ভেতরে আমার বিশাল
একটা আকাশ আছে ।
আমি’ই তা খুলতে পারেনা । 
মনের ভেতর গভীর সাগর ।
আমি এখন আর স্বীকার’ই করেনা !
কালো কলিজা’টা বিরাট চুম্বক । 
মাস্টার ওস্তাদজীরা কোনদিন
নিজের দিকে টানতে শেখায় না । 

আকাশ খোলা হেলান দেওয়া,
গভীর জলে ডুইব্বা যাওয়া,
মনে মনে আকর্ষণে !  লাগবেনা তার,
বরং, আজ আমি যা পারি তা
গিলতে গিলতে সব খাওয়া ।। 
মাটিতে-মাটিতে যুদ্ধ করার এবং জেতার
বুদ্ধি করছি…. মাঝে মাঝে এ দ্বন্দ্ব মোছার
ডাস্টার খোঁজার ভানে, আর না পাওয়া !

নিজেই নিজের হজম শেষে । 
শূণ্য খালি সবই হাওয়া… 

ডানপক্ষ = বামপক্ষ

ছোটবেলার,
‘আমরা জানি’ আর ‘মনে করি’

কতটুকু জানতাম ? মনে কতটুকুই করতাম ?
আসলটাই জানতাম ? মানে,
কিভাবেই বা জেনেছিলাম ?
জানিয়েছিল যারা, নয় কেন তারা !
আমরা’ই কেন প্রমাণ করতাম ?
ডানপক্ষ = বামপক্ষ করার, যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা ।
আঙ্গুল ধরে, মনোযোগের সাথে শিখতাম !

এই জানায় জানা-জানি… বছরের শেষ ।
হিসাব-হিসাবে কষা-কষি… আর কয়েক
দশক… চলছে বৈকি ! পাশ নাম্বার পাইছি !
কত্ত মজা ! হাসা-হাসি…

আহারে জীবন… আহার মাটির ।।
এখনো’তো খুব্ব বাকি…
বুড়া-বুড়ির ফোকলা দাঁত । আর…
মুচকি হাসি… !

এখন, আমরা কেমন জানি ?
আর কি, কি কি মনে করি ?
আবারো, ‘প্রমাণ’ করতে… হবে নাকি ?
পাশ নাম্বার ? ছিল কততে জানি ?

বামপক্ষ আর ডানপক্ষ, সমানে-সমান হল,
সবাই তো খুব্ব জানি-পারি ।
সচেতনে জানোয়ার হইতে’ই হবে…
যেভাবেই হোক ! এই হওয়ায়, যেন না হারি !

তো, সমান ওদের, মিলন করতে পারছো নাকি ?
এখন দেখি ! বাব্বাহ ওরা-ওরাই… পারদর্শি !
সমান সমান চিহ্ন-চিহ্নে মুখ, কালা-কালি ।
ভাই-বেরাদার আলাদা লাঠি, বিয়োগ-বিবাগী…
বামে-ডানে-ডানে-বামে, যুদ্ধে-যুদ্ধে রক্তা-রক্তি ।।

হেহেহে, খাইছেরে ! ঘুমাও, তুমি… ঘুমাও !!
আমি ? বাইচ্চা যামু ।। যদি, যাইগা আমি…

বৃদ্ধ গালিরা…

গালি জিনিসটা গানের মতই স্যাটিস্ফাইং ব্যাপার । ভদ্র সমাজের ইংলিশ গালির পেছনে বাংলা গালির ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়নাই । বাপ – দাদা – পরদাদা – তাঁর পরেরো অনেক অনেক দাদা, সবাই ই এই জিনিস নিজেরা দিছে বা আশে পাশে শুনছে । নিজে না দিলেও মনে মনে কেউরে নিয়া গালি ভাবছে । কিন্তু অইযে ! দিন শেষে, গালি পালক সন্তানের মতই কোন না কোন সময় আদরের অভাবে পালায় গেছে। তখন আসছে নতুনদের কাছ থেকে নতুন গালি !

আমরা বাংগালী’রা আবার আমাদের অতীত অস্বীকার কইরা যাইতে তো ভালবাসি বাসি’ই ! এরপরে হুদ্দাই অইটা ঘৃণা করতেও কেন যেন ভালবাসি !

আজ কত কত বৃদ্ধ গালিরা আমাদের আশেপাশে বেওয়ারিশ হিসাবে মনে কষ্ট নিয়া ঘুইরা বেড়াইতাছে…

ও বিঃ দ্রঃ হইল, আমিও ভালভাসি, “আমি আমার পালক বন্ধু-বান্ধবদের গালিগালাজ করতে ভালবাসি !

.
.
.

  • #BONGCHiNTON

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস

সরকার থেকে আজকে, ‘আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস’ এর আহবানের মেসেজ পাইলাম ফোনে । এরপর থেকা মাদক জিনিসটা আজকে ‘জীবনের প্রথম আমার একটু ট্রাই কইরা দেখতে ইচ্ছা কত্তাছে ।

নাহ ! ছিঃ ছিঃ আজকে ওই বিশেষ দিনে অন্তত আমরা নেশা-টেশা না করি ভাইয়েরা ! ওহো সরি ! মেয়েরা আবার বলবে তাদের কেন বাদ দিলাম । নেশাখোর ভাই-বইনেরা “আজকে নেশা না করি”

আমার এই কথা শুইনা একজন নেশাখোর বললঃ ” হুহ ‘আজকে নেশা না করি ! আপনে না করলে না করেন ! আমারে বলেন কেন… ? “

তবে বিশ্বাস কর…

মনে চায়, রবি ঠাকুর – কবি নজরুল অথবা,
নির্মলেন্দু গুন সাহেব’দের থেকেও
সুন্দর – ভাল – মন জুড়ানো কিছু কথা তোমায়
এক্ষুনি অনেক অনেক লেখি !
পারিনা হায় ! তবে বিশ্বাস কর,
তাঁদের বলা কথার থেকেও অনেক ভাল
আর সুন্দর করে ভালবাসার স্বপ্ন আমি,
তোমাকে – আমাকে নিয়ে দেখি…

শারাবান তাহুরা… 🍷

মদ হারাম — সুদ হারাম ।
মদ ই-লিগ্যাল — সুদ লিগ্যাল ।

বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান অঞ্চল বিধায়, মদ ই-লিগ্যাল । এই যুক্তিতে তবে, সুদ ই-লিগ্যাল কেন নয় ? ব্যাংক ব্যাবসা করবে কিভাবে ? ব্যাংক এর প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে নিশ্চয়ই জানেন ? তাই’ই সুদ লিগ্যাল ।

ট্যাকা – ট্যাকায় ঘুটা দিলে আপনে বলতে পারবেন ? কোনটা সুদের আর কোনটা না-সুদের ট্যাকা ? মদে মদে ঘুটা দিলে সবই হারাম মদ । ঠিক বলছি ? নাকি ঠিক বলছি ?
তো, হিসাব ক্লিয়ার… ?

আমি বড় হয়া সুদের ব্যাবসা করুম । লাভের ট্যাকা দিয়া মদ কিনুম । ছিঃ ! মদ তো আমি খাইনা ! তাই, একটা ‘বার (মদের দোকান) দিমু ।

মদ বেচুম… পকেটে ট্যাকা-ট্যাকা-ট্যাকা ভরুম… আজান দিলে মসজিদে জামায়াতে নামাজ’টা পড়ুম… মোনাজাত ধরুম… মসজিদের কল্যাণ তহবিলে পকেটেত্তে কিছু-টিছু ট্যাকা দিমু… আশে-পাশের মুসল্লিদের “বাহ বাহ” প্রশংসার বাণী শুনুম… সম্মানিত আমি, মাথা উচা কইরা চলুম-টলুম…

সমাজে আমার মত আছে কেউ ? মান্যগণ্য করে সব্বাই । দেখলেই সালাম দিতে ভুলে না কেউ । বেহেশত আমার ঠ্যাকায় কেডায় ? আচ্ছা আচ্ছা যাও, তোমারেও নিয়া যামু । কত স্বর্নের ইট আমার জমছে অইহানে ! এইটা কোন ব্যাপার ? গেলাম নিয়া তোমারে !

কিন্তু, বেহেশতে যায়া আমি পানি আর খামুনা ভাই । গলায় ঢালুম, ‘শারাবান তাহুরা… 🍷

রূপালি ঢেউ যা চাঁদের আলো

শশশ শালায় ! ফেরেশতা গুলাও
গেছেহ, সব বণিক হয়া !
আগের মত ! চাইলেই সামর্থ্য বুইঝা আমার,
খশখশ শব্দ পকেটে দিলে’ই,
স্বর্গীয় তরল বোতল ভরা ।
যত্ন নিয়া কাগজে প্যাচায় তারা
দেয়না, দুই-একটা ।

আদর চোখে, আর
একটু আগে সাবধানি মনে, চিত্ত তৃপ্ত
বিরবির শুনায় না !

বেট্টা ডিলার, ভুইল্লা গেলা,
ডাবল-ত্রিপল কত করছিলা !
না-না এইটাই আসল, হুইত আসলই !
এই তাবল-আবল, মনের বুঝ !
এ জিনিস আসল না ?
উহু, হতেই পারেনাহ ! খাটি হুরের শুধা’ই ইহা,
মন বুঝ দেওয়া ! তুমি গলির মদ্ধে ধরায় দিতা !

সোনালি শিশিরেরা
অনেক অনেক, থলেতে ভরা !
মিছিল কত ! রূপালি ঢেউদের চাঁদের আলোর ।

যতই এরা তোমার ছিল, ছিল আমারও,
ভাবো তুমি, কিন্তু ! দেখো ! ভাইবা,
দিনের শেষে, ঘামে সারা, তরল রাখা
বাক্স-বাক্স শান্তি বিলায় দিতা ।
এখন ? হুর গুলারে কসবী করলা ।
উপাধিত ফেরেশতা তুমি, তরলই-শ্বর্য ওরা,
ওদের কেবল সংগরোধি এই সময়ে… !

বিত্তবানের সোফায়,
চেয়ার-টেবিল খাটে’ই নিলা ।
দালাল’ই একটা… তুমি ! প্রমাণ করলা…