ডানপক্ষ = বামপক্ষ

ছোটবেলার,
‘আমরা জানি’ আর ‘মনে করি’

কতটুকু জানতাম ? মনে কতটুকুই করতাম ?
আসলটাই জানতাম ? মানে,
কিভাবেই বা জেনেছিলাম ?
জানিয়েছিল যারা, নয় কেন তারা !
আমরা’ই কেন প্রমাণ করতাম ?
ডানপক্ষ = বামপক্ষ করার, যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা ।
আঙ্গুল ধরে, মনোযোগের সাথে শিখতাম !

এই জানায় জানা-জানি… বছরের শেষ ।
হিসাব-হিসাবে কষা-কষি… আর কয়েক
দশক… চলছে বৈকি ! পাশ নাম্বার পাইছি !
কত্ত মজা ! হাসা-হাসি…

আহারে জীবন… আহার মাটির ।।
এখনো’তো খুব্ব বাকি…
বুড়া-বুড়ির ফোকলা দাঁত । আর…
মুচকি হাসি… !

এখন, আমরা কেমন জানি ?
আর কি, কি কি মনে করি ?
আবারো, ‘প্রমাণ’ করতে… হবে নাকি ?
পাশ নাম্বার ? ছিল কততে জানি ?

বামপক্ষ আর ডানপক্ষ, সমানে-সমান হল,
সবাই তো খুব্ব জানি-পারি ।
সচেতনে জানোয়ার হইতে’ই হবে…
যেভাবেই হোক ! এই হওয়ায়, যেন না হারি !

তো, সমান ওদের, মিলন করতে পারছো নাকি ?
এখন দেখি ! বাব্বাহ ওরা-ওরাই… পারদর্শি !
সমান সমান চিহ্ন-চিহ্নে মুখ, কালা-কালি ।
ভাই-বেরাদার আলাদা লাঠি, বিয়োগ-বিবাগী…
বামে-ডানে-ডানে-বামে, যুদ্ধে-যুদ্ধে রক্তা-রক্তি ।।

হেহেহে, খাইছেরে ! ঘুমাও, তুমি… ঘুমাও !!
আমি ? বাইচ্চা যামু ।। যদি, যাইগা আমি…

আম্পান

এই বাতাস শইলে আরাম ঠান্ডা পরশ দেয়নাতো, বরং মনে ভয়ংকর শীতল কাপুনি দেয়রে ! ওহে… ! সকল কিছুর… সৃষ্টিকর্তা… !

যারা আসল বিপদে আছে, কমুক তাদের বিপদ কমুক ।।

‘সুন্দরবনের মর্ম আমাদের মহান ( ! ) জ্ঞানের অধিকারী, প্রচুর জানা, জানোয়ার জান্তা’গুলা, জ্ঞান পকেটে ভরার ভয়াল পরিনাম একটু বুঝুক । সময় থাকতে থাকতে’ই… বুঝুক !

সৃষ্টির সেরা জীব নামক প্রাণী’কে সৃষ্টিকর্তা তার’ই দেওয়া ঘুমন্ত মগজটা’কে জাগ্রত করুক ।।

.
.

সজাগ হোক চিন্তা সবার,
নিদ্রা করুক মনের
এতদিন জেগে থাকা,
খুব’ই ক্লান্ত এখন । এক
একটা সুপ্ত জানোয়ার ।।

‘আমার’-তোর-তোমার-আপনার-সব্বার…

ভালবাসা ছড়াক, ঘৃণা নয়…

আপনার ধর্ম কতটা সুন্দর জীবনের কথা বলে । কতটা মানুষের ভাল করার কথা বলে । ধর্ম’টা সেইভাবেই পালন করে অন্য ধর্মের মানুষকে দেখিয়ে দেন । আপনাকে দেখে যেন অন্যে ধর্মের মানুষ আপনার ধর্ম সম্বন্ধে আগ্রহী হয় । জানতে চায় ।

আপনাকে দেখে যেন ভাল লাগে অন্য ধর্মের মানুষের । আপনাকে জানতে চাইলে অবশ্যই আপনার সাথে বন্ধুত্ব করা দরকার । তারমানে দুইজনই বন্ধু হয়ে গেলেন ! এইবার আদান-প্রদান করুন ধর্মের ভাল দিক। বন্ধু না হয়ে কোনদিন’ই তা সম্ভব না ।

চিৎকার করে – রাগ দেখিয়ে – ভয় দেখিয়ে এমনকি অনুরোধ করেও আপনি আপনার ধর্মের প্রতি আগ্রহি করতে পারবেন না কেউকে । আপনার ধর্মের শ্রেষ্ঠতা প্রকাশ করুন ভালবাসা দিয়ে, ঘৃণা দিয়ে নয় ।

চিৎকার করে অন্যের ধর্মের নামে বাজে কথা বা ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করুন । অন্য ধর্ম নিয়ে যে কোন বাজে কথা আস্তে আস্তে বা মনে মনেই বলা থেকেই নিজেকে দূরে রাখুন । একটু সৃষ্টিকর্তার দেওয়া চিন্তাশক্তি কাজে লাগিয়ে দেখুন । আপনার নিজের ধর্মের নামে বাজে কথা ছড়ানো লোক’কে বা ধর্ম’কে আপনার নিজেরও ভয় লাগার কথা । ঘৃণা করার কথা !

মানুষে-মানুষে যুদ্ধ আপনার সৃষ্টিকর্তা দেখতে চায় ? নাকি মানুষে-মানুষে বন্ধুত্ব ? নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন… 🙂

বেশ করে ফেলেছি…

হেহ ! বিজ্ঞানি’রা আজকে বাইর করছে । আর এইটাতো কুরআন শরীফে আগে থেকাই ছিল । বলতে যে কত ভাল লাগে আমার !

কুরআন শরীফে আল্লাহ্‌য় বলছে । এইখানে আমার মহত্ত’টা কই ? আমি নিজে আল্লাহর কথা পইড়া কি করছি ? মানুষের কল্যাণে কি করতে পারছি ? অথচ কেউ ভাল কিছু করার চেষ্টা করতাছে আর আমি এইখানে এখন “হেহ আমগো কুরআন” বইলা ক্রেডিট নিয়া ফেলাইলাম । হাস্যকর !

আমি কিন্তু পড়ছি কুরআন । শুধু মনে রাখছি “মাইয়া মানুষ – মাইয়া মানুষের মত” থাকতে হইব, পর্দা ছাড়া কেন চলব ?” এইসব খুব মজা লাগে আমার। মুরগির মত মস্তিষ্ক বানায়া রাখছি নিজের মগজরে । পোলাদের পর্দার কথা আমার মনেই নাই ! আমার নিজের জানোয়ার মন ঠিক থাকলে যে দুনিয়াতে শান্তি বিরাজ করে তা আমি আবার এত বোঝার চেষ্টা করুম কেন ?

গুলি বানানো বন্ধ হয়া গেলে পিস্তলের আর প্রয়োজন নাই । তা দিয়া আর মানুষ মরবো না । মাথায় ঢোকার কথা না এইসব আমার… আল্লাহ হাফেজ…

ছোট বেলায় যেইসব পোলাপাইন মানুষের দ্বারা নানান ভাবে কষ্ট পায় ! তারা বেশির ভাগই বড় হয়া খুব খুব ভাল মনের মানুষ হয় । অনেকে কিন্তু আবার বড় হইয়া সেইরকমের সাইকোপ্যাথও হয়া যায় ভাইয়া !!

আমি ছোড থাকতে মাইনশে আমারে মডু, ভোটকা, ভোম্বল ইত্যাদি ইত্যাদি বলতো…

এখন কথা হইল । আমি কি কষ্ট পাইতাম নাকি আনন্দ পাইতাম ? কষ্ট পাইলে আমি ভাল মনের মানুষ হব বড় হয়া নাকি সাইকোপ্যাথ… ? 😀

Scary Times Scary Lines – 10

দিন-টিন সময়-টময় খেয়াল নাই

করোনা থেকে মুক্ত থাকার এইখানে যথাযথ সচেতনতা বা ব্যবস্থা নাই । করোনার ঠিকঠাক চিকিৎসা নাই। অবহেলা প্রত্যেক হাসপাতালে। মৃত বা রোগী প্রায় সব মানুষের পরিবার থেকেই হাসপাতাল হইতে অবহেলার অভিযোগ ।

এক দোকান খুললে আরেক *দোকান বলে, ‘কিহ তারা দোকান খুলছে আর আমি খুললেই দোষ?’

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিও এক ধরনের দোকান। শপিং মলও দোকান । আর আপনের দোকান না । অন্য কিছু । কিন্তু ‘কেন আপনের অন্য কিছুটা খুললেই কেন দোষ ? মাইনশের টা কেন দোষ না !’ এইসব প্রশ্ন কইরা আপনেরটাও যে দোকান তা প্রমাণ কইরা ফেইলেন না ।

মাথা খাটান… এইখানে দোকান খোলার প্রতিযোগিতা যে চলতেছেনা, তা বোঝার ক্ষমতা আছে কয়জনের? নিজের দোকান না খুইল্লা, নিজের মাথায় যে একটু ঘিলু আছে তার পরিচয় দিবেন নাকি তা নিজেরে জিজ্ঞেশ করেন ।

ভাই, অবস্থা যখন এরকম । আমার মতে, ঘরে বন্দি না থাইকা স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরা যাওয়া উচিত । যে যে বাঁচলাম, থাকলাম বাইচা। যে যে মরলাম, গেলাম মইরা। হুদ্দাই ঘরে বন্দি-ঘরে বন্দি নাটক কইরা কয়দিন খাদ্য আর অর্থ সংকটের কোন মানে হয়না !

ও ! আচ্ছা…. …

চাঁদ আর জ্বলছেনা,
কেন ? কেন !
সূর্য শাসন করছেনা,
কিহ ! কি ?
মগজ পাচ্ছেনা সারা আর,
পরে ? পরে !
চেহারাও মনে ওর আসছেনা,
আয় ! হায় ?
রাত অনবরত তবু, স্বপ্ন নেই… তাই…
বল ! বল ?
চোঁখ ভরা ঘুম পাচ্ছেনা !

ও ! আচ্ছা…. …

ঘেরা থাকুক

পৃথিবীর অসুখের এই বেলায়
হয়তো এমনও হয়,
‘সব ঠিক হয়া যাবে’ বলার থাকেনা কেউ
তবুও হয় যেন এমন
আমি জানি তুমি পারবেনা, তাই ফেরা !

ঘেরা থাকুক আসলে সব,
চেনা জন দিয়ে ঘেরা ।।

Scary Times Scary Lines… – 9

২২ এপ্রিল ২০২০ । বুধবার । সকাল ৫ঃ৩০ টা ।

বাংলাদেশে করোনায় যেই কয়জন মারা যেতে পারে । লকডাওনের কারণে পরবর্তি সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে খাদ্যের অভাবে মৃত্যু’র সংখ্যা যদি এরচেয়ে বেশি হয় ?

আমি আশা করছি দুর্ভিক্ষ হবেনা। যদিও লকডাওনের সুফল আসলেই যদি পেতে হয় ! তবে লকডাওন পদ্ধতি আরো অনেক অনেক অনেক দিন প্রয়োজন। COVID-19 এর টীকা বা প্রতিষেধক বের হওয়ার আগ পর্যন্ত। এই কোভিড সম্বন্ধে ঠিকঠাক এখনো বিজ্ঞানী’রা জেনে উঠতে পারছেনা।

ধারণা করা হচ্ছে করোনার টীকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কার এবং তা বাংলাদেশ পেতে পেতে ২০২২ পর্যন্তও লেগে যেতে পারে! এতদিন পর্যন্ত বর্তমান সময়ের ন্যায় লকডাওন ক্ষমতা কোন রাষ্ট্রেরই নেই। আর বাংলাদেশ বর্তমানের ন্যায় আগামী আরো দুই-তিন মাস লকডাওন থাকলে দুর্ভিক্ষ দেখতে বাধ্য। এখন পর্যন্তই যতদিন হয়ে গেছে লকডাওন এর দিন। সেখানে, যদি আজকেই লকডাওন তুলে ফেলা হয়। এরমানেও অনেক অনেক মানুষই খাদ্য অভাবে বহু দিন ভুগবে। আর সব কিছুর মূল্যবৃদ্ধি তো আছেই !

আমরা জানি, সরকার যেই হাজার হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা পাশ করেছে এই করোনা এবং লকডাওন এর কারণে! এই প্রণোদনা’র সুফল সাধারণ জনগণ সবাই না পেলেও, ভবিষ্যতে পণ্য বেশি দামে কিনে পরে অই হাজার কোটি টাকা সমান সমান জন সাধারণকে’ই করতে হবে।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ একবার দুর্ভিক্ষ দেখেছে। সেই দুর্ভিক্ষ হওয়ার অনেক অনেক কারণই ধারণা করা হয়। কারণগুলো জানতে চাইলে অনেক বই ছাড়াও উইকিপিডিয়া থেকেও কিছু জানতে পারবেন। ‘বাংলাদেশে আজ এই ২০২০ সালে জনসংখ্যা বলা হয় প্রায় ১৮ কোটি (আমার মনে হয় আরেকটু বেশি) । ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় আট কোটি (আদমশুমারী) । সেই দুর্ভিক্ষ সম্বন্ধে উইকিপিডিয়া থেকে কিছু বাক্য এই লেখার প্রয়োজনে সরাসরি দেওয়া হলঃ ‘বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। সরকারী হিসেব অনুসারে ২৭,০০০ মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করে। বেসরকারি হিসেবে অনুমানিক ১,০০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০ জন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মৃত্যুবরণ করে।’

আরো দুইটা দিন বেশি বেঁচে থাকার চেষ্টা বা এর অধিকার প্রত্যেক মানুষের আছে। লকডাওন আমাদের জীবিত থাকার দিনগুলো বাড়াচ্ছে। আশা করি, গবেষক’রা পৃথিবীর যেই আগত ভয়াল রুপ ধারণা করছে। সব ভুল হবে। আর আমরা চলন্ত সংক্রামক থেকে ধারনার অনেক আগে মুক্তি পাবো ! মুক্তি না পেলেও ! এই অশিব সুন্দরি করোনায় মৃত্যু বা দুর্ভিক্ষে মৃত্যু’র মিছিল, এর কোনটাই আমাদের বেশি একটা দেখতে হবেনা। আশা করছি, দুর্ভিক্ষ’ই হবেনা। আশা করছি। আসলে ‘আশা করা ছাড়া আমাদের কোন আশা নেই।

অবশ্যই মানুষের জীবন থেকে অর্থনীতি এর মূল্য কখনো’ই কোথাও বেশি হতে পারেনা। প্রশ্ন করছি এই কারণে, কারণ আমি জানিনা উত্তর। জানলে আরো বেশি এই নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে হয়তো ! কেউ যদি আমার চিন্তাগুলো ভুল বলে বুঝিয়ে দিত ! আমার নিজের চিত্ত শান্তি হত !

নিজের মৃত্যু চিন্তা করা সহজ। কিন্তু নিজের আপনজনের মৃত্যু চিন্তা করার চেয়ে কঠিন চিন্তা, মনুষ্য মনে আমার মনে হয়না আছে !

আসুক… শান্তির অভ্যাস !

এই বৃষ্টিতে রাস্তায় থাকা পুলিশ আর আর্মি ভাই বইনেরা আশা করি ভাল আছে ।

মানে ইয়ে, পুলিশ ভাইদের একটা কথা। জানি ব্যাপারটা অভ্যাসই হয়া গেছিল অনেকটা। অনেক দিন ধইরা অই অভ্যাসটা হইতাছেনা বা পারতাছেন না বা কম হচ্ছে ! জানি বইন, জানিগো ভাই জানি। আমারও অনেক পছা পছা অভ্যাস আছে। কিন্তু ঘু… মানে, শশশশশ তো ভালা অভ্যাস না ! যা বলছিলাম, পারলে অভ্যাসটা এই সুযোগে বাদ দিয়া দেন ! কি কন ?

খুব ভয়ে আছি। আর্মি আর পুলিশ একসাথে অনেক দিন আছে রাস্তা-ঘাটে । আরো থাকবো। অভ্যাসটা না আবার আর্মিরাও পুলিশদের বেশির ভাগের মত পায়া বসে ! কম কম থাকুক আরকি। অভ্যাসও তো সুপ্ত থাকা রোগ ! করোনার মতই… !

যাইহোক, ভাই-বইন আপনেরা যেই একটা কষ্ট করতাছেন রাস্তায়! মাইনশের উপকার করলে মন এমনেই পরিষ্কার হয়া যায়। মানুষের ভাল কইরা মজা পাওয়ার অভ্যাস কঠিন অভ্যাস । সেইরকম শান্তির মজার অভ্যাস আপনেগো ধরুক… 💚💚💚