তবে বিশ্বাস কর…

মনে চায়, রবি ঠাকুর – কবি নজরুল অথবা,
নির্মলেন্দু গুন সাহেব’দের থেকেও
সুন্দর – ভাল – মন জুড়ানো কিছু কথা তোমায়
এক্ষুনি অনেক অনেক লেখি !
পারিনা হায় ! তবে বিশ্বাস কর,
তাঁদের বলা কথার থেকেও অনেক ভাল
আর সুন্দর করে ভালবাসার স্বপ্ন আমি,
তোমাকে – আমাকে নিয়ে দেখি…

আম্পান

এই বাতাস শইলে আরাম ঠান্ডা পরশ দেয়নাতো, বরং মনে ভয়ংকর শীতল কাপুনি দেয়রে ! ওহে… ! সকল কিছুর… সৃষ্টিকর্তা… !

যারা আসল বিপদে আছে, কমুক তাদের বিপদ কমুক ।।

‘সুন্দরবনের মর্ম আমাদের মহান ( ! ) জ্ঞানের অধিকারী, প্রচুর জানা, জানোয়ার জান্তা’গুলা, জ্ঞান পকেটে ভরার ভয়াল পরিনাম একটু বুঝুক । সময় থাকতে থাকতে’ই… বুঝুক !

সৃষ্টির সেরা জীব নামক প্রাণী’কে সৃষ্টিকর্তা তার’ই দেওয়া ঘুমন্ত মগজটা’কে জাগ্রত করুক ।।

.
.

সজাগ হোক চিন্তা সবার,
নিদ্রা করুক মনের
এতদিন জেগে থাকা,
খুব’ই ক্লান্ত এখন । এক
একটা সুপ্ত জানোয়ার ।।

‘আমার’-তোর-তোমার-আপনার-সব্বার…

অদ্ভু – দূরে…

ঘুমের থেকেও অনেক দূরে 
শূন্য থেকেও শূন্যান্তরে। তা  
বিপদজনক হলেও, এই 
নকল সুরৎ সস্তা ভীষণ ।। 

অদ্ভু-দূরে,  
অসহ্য কেবল, দুই এক এর মাঝে কাচের পাথর । 
অদ্ভু-দূরে,  
ঘোরলাগা সুখ, দুই এক এর মাঝে অকৃত্রিম আদর । 

অবাক করা, নিষ্ঠুর নীলে 
আবছায়াতে শীতল চাদর ।  
সম্ভাবনা নয়, অসত্যি হলেও 
কল্প থেকেই তো গল্পের প্রসব ! 

অদ্ভু-দূরে, 
কান্না চরম, দুই এক এর মাঝে যুদ্ধ ভীষণ ।  
অদ্ভু-দূরে, 
বদ্ধ হৃদে, দুই এক এর মাঝে অসার অহং । 

ঘুম ঘুম ঘুম দূর, 
দূর দূর দূর ঘুম ।।  
দূর…. 

ভালবাসা ছড়াক, ঘৃণা নয়…

আপনার ধর্ম কতটা সুন্দর জীবনের কথা বলে । কতটা মানুষের ভাল করার কথা বলে । ধর্ম’টা সেইভাবেই পালন করে অন্য ধর্মের মানুষকে দেখিয়ে দেন । আপনাকে দেখে যেন অন্যে ধর্মের মানুষ আপনার ধর্ম সম্বন্ধে আগ্রহী হয় । জানতে চায় ।

আপনাকে দেখে যেন ভাল লাগে অন্য ধর্মের মানুষের । আপনাকে জানতে চাইলে অবশ্যই আপনার সাথে বন্ধুত্ব করা দরকার । তারমানে দুইজনই বন্ধু হয়ে গেলেন ! এইবার আদান-প্রদান করুন ধর্মের ভাল দিক। বন্ধু না হয়ে কোনদিন’ই তা সম্ভব না ।

চিৎকার করে – রাগ দেখিয়ে – ভয় দেখিয়ে এমনকি অনুরোধ করেও আপনি আপনার ধর্মের প্রতি আগ্রহি করতে পারবেন না কেউকে । আপনার ধর্মের শ্রেষ্ঠতা প্রকাশ করুন ভালবাসা দিয়ে, ঘৃণা দিয়ে নয় ।

চিৎকার করে অন্যের ধর্মের নামে বাজে কথা বা ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করুন । অন্য ধর্ম নিয়ে যে কোন বাজে কথা আস্তে আস্তে বা মনে মনেই বলা থেকেই নিজেকে দূরে রাখুন । একটু সৃষ্টিকর্তার দেওয়া চিন্তাশক্তি কাজে লাগিয়ে দেখুন । আপনার নিজের ধর্মের নামে বাজে কথা ছড়ানো লোক’কে বা ধর্ম’কে আপনার নিজেরও ভয় লাগার কথা । ঘৃণা করার কথা !

মানুষে-মানুষে যুদ্ধ আপনার সৃষ্টিকর্তা দেখতে চায় ? নাকি মানুষে-মানুষে বন্ধুত্ব ? নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন… 🙂

বেশি কথা বলা যাবেনা !

‘প্রচলিত ধর্ম নিয়া কথা বললেই। সমালোচনা করলেই আল্লাহ বা নবী রাসুলের সমালোচনা করা না । অথবা হুজুর বা আলেমদের সমালোচনা করা না । হুজুর বা আলেম’রা অবশ্যই সমালোচনার উর্ধেও না ।

সরকার নিয়া কথা বললেই শেখ হাসিনা ভালানা । ও, শেখ হাসিনা তো প্রধানমন্ত্রী সারা জীবনের জন্য না । ধরেন, খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী তখন সরকারের সমালোচনা মানেই খালেদা জিয়া ভালা না । তা না’রে ভাই । তা না ! শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া, তারাও সমালোচনার উর্ধে না ।

( সমালোচোনার উর্ধে না মানে হচ্ছে । তাদের যে সমালোচনা করা যাবেনা, তা না । সমালোচনা করা যাবে সবাইকে । ভুল ধরা যাবে সবার )

ধর্ম আর সরকার এইসবই, এই দুই জিনিসের সমন্বয়ে পুরা পৃথিবী চলে । ছোট বেলা থেকাই আমরা এই দুইয়ের মিশ্রণেই সমাজ দেইখা আসছি । সমাজ শিখা আসছি । এখন কথা হইল এই সমাজ বানানের গুরু দায়িত্ত যে সব মানুষ’গুলা কইরা থাকে, তারা বেশির ভাগই নৈতিকতার “নৈ” এর মূল্যও দেয়না । এর ফলাফল হয় আস্তে আস্তে একটা বিশ্রী চিন্তা-ভাবনা সমৃদ্ধ সমাজ ।

কিছু খুব শক্তিশালি রক্ত গরম মানুষের আবার খুব আবেগ। চেইতা দেখায়া দিলেই মনে হইতাছে যেন খুব সওয়াব/পূন্য পায়া গেল ! বা খুব সরকারের প্রিয় আদমি হয়া গেল ! এদের কারণেই দায়িত্ত পাওয়া অইসব জানোয়ারেরা তাদের বানানো সরকার এবং তাদের বানানো ধর্ম বজায় রাখার সুযোগ পায়া যাচ্ছে দিনের পর দিন । বছরের পর বছর । হাজার লক্ষ কোটি বছর।

শুনেন, ভাল কইরা বলতেছি ” সরকার রক্ষা করা আর ধর্ম রক্ষা করা এই মানুষ’রা সবাই খারাপ আমি বলতেছিনা। প্রচুর ভাল মানুষ আছে । যারা আসলেই মানুষের ভাল চায়। জী, সকল মানব জাতির ভাল চায় । আছে, আছে এমন মানুষ।”

কিন্তু ভাই, খারাপ মানুষের প্রচুরতার পরিমাণ’টা অইখানে এত বেশি যে ! ভালদের ভ্যালু-লেস মানে মূল্যহীন হয়া থাকতে হয় । দোষ সেই মূল্যহিন’দের তো আছেই । এই দোষ আপনের আর আমারও খুব বেশি আছে । আমার আল্লাহ বা আপনে অন্য ধর্মের হইলে আপনের শেখা সম্বোধন ঈশ্বর বা ভগবান ইত্যাদি ইত্যাদি আপনের নিজেরেও বুদ্ধি দিছে, চিন্তার ক্ষমতা দিছে । আপনে সেই বুদ্ধিতে চলা ভুইলা গেছেন। আপনে একটা ভেজিটেবল অথবা চেয়ার – টেবিল – ইট- বালুর মতই জড় হয়া গেছেন ।

খেয়াল কইরা দেইখেন ধর্ম – সরকার দুইজনই দেখায় তাদের মধ্যে ভাব নাই । কিন্তু দিন শেষে দেখবেন দুইজনই দুইজনরে খুব খুশি খুশি রাইখাই ঘুমাইতে যাইতাছে । দুইজনই আপনেরে অনেক অনেক কিছু শেখাইব। বুঝাইবো, খুব শিক্ষিত বানায় ফেলছে আপনেরে । আসলে তাদের বানাইন্যা শিক্ষায় শিক্ষিত মুর্খ এখন একটা আপনে । আপনে মুখ খুলবেন কি ! তাদের বলা মিথ্যা কথা ধরবেন কি ! আপনে জানেন’ই না যে, এইসব আপনে করতে পারেন ! হাহ হা !

“এ ! বেশি কথা বলা যাবেনা ! এত প্রশ্ন করা যাবেনা !” আসল প্রশ্নটা আইসা পরতে পারে । বেশি প্রশ্ন করলেই ভুল ধরলেই শাস্তি । সরকার এই জিনিসটা এই কনসেপ্ট টা কোথা থেকে পাইছে, কে দিল চালাকি’টা ? বলেন তো দেখি … !

ছোট বেলায় যেইসব পোলাপাইন মানুষের দ্বারা নানান ভাবে কষ্ট পায় ! তারা বেশির ভাগই বড় হয়া খুব খুব ভাল মনের মানুষ হয় । অনেকে কিন্তু আবার বড় হইয়া সেইরকমের সাইকোপ্যাথও হয়া যায় ভাইয়া !!

আমি ছোড থাকতে মাইনশে আমারে মডু, ভোটকা, ভোম্বল ইত্যাদি ইত্যাদি বলতো…

এখন কথা হইল । আমি কি কষ্ট পাইতাম নাকি আনন্দ পাইতাম ? কষ্ট পাইলে আমি ভাল মনের মানুষ হব বড় হয়া নাকি সাইকোপ্যাথ… ? 😀

তাইরে নাইরে নাইরে নাই

এক স্যার-বস ।
তেল বেচার জায়গা পায়না,
আরেক বস-স্যার ।
তেল রাখবো কই ? খুইজ্জা মেলে না !!

তেলে টাকায় – টাকায় তেলে ভরাভরি ।।
কই এখন, সব কারাকারি ?
মারতে মারতে মাইরা এখন আর
আগের মত মজা কই ?

তাইরে নাই-রে, নাই-রে, নাই-রে,
নাইরে – নাইরে…
কোন জায়গাই, খালি তো
আর নাই…